লখনউ আইটি সিটিতে HCL-এর ৫০০ কোটি, লক্ষ্য ৫০ এআই স্টার্টআপ
কী ঘোষণা হলো? HCL-এর লখনউ ক্যাম্পাসের ১০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানেই এই ঘোষণা আসে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লখনউ আইটি সিটির দ্বিতীয় ধাপের সূচনা করেন। এক নজরে: বিনিয়োগ: প্রায় ৫০০ কোটি টাকা…
Genuine, actionable business ideas, startup funding, and local employment opportunities
কী ঘোষণা হলো? HCL-এর লখনউ ক্যাম্পাসের ১০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানেই এই ঘোষণা আসে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ লখনউ আইটি সিটির দ্বিতীয় ধাপের সূচনা করেন। এক নজরে: বিনিয়োগ: প্রায় ৫০০ কোটি টাকা…
ওডিশা এআই ক্যাম্পাসে ঠিক কী হবে? সহজ করে বললে, এটা হবে এক বিশাল কম্পিউটিং কেন্দ্র, যেখানে এআই তৈরি ও চালানোর কাজ হবে। সোর্স অনুযায়ী, এখানে থাকছে: মডেল ট্রেনিং: এআইকে শেখানোর…
কেন এই উদ্যোগ জরুরি সাধারণত ল্যাবের গবেষণা কাগজ-কলমেই আটকে থাকে, বাজার পর্যন্ত পৌঁছায় না। এই AI ভেঞ্চার স্টুডিও সেই ফাঁকটাই পূরণ করবে। গবেষক আর প্রতিষ্ঠাতাদের হাত ধরে তাদের আইডিয়াকে প্রোডাক্ট…
কত টাকা কাটা হচ্ছে? Inc42-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি অর্ডার খতিয়ে দেখা গেছে যেখানে এই বাড়তি ফি ধার্য হয়েছে। কিছু উদাহরণ: দুটি অর্ডারে যথাক্রমে ₹৫ এবং ₹১৩ পর্যন্ত পে-অন-ডেলিভারি ফি…
কী করে YoLearn.ai? YoLearn.ai মূলত একটি ভয়েস-ভিত্তিক এআই টিউটর তৈরি করে। মানে, পাঠ্যবইয়ে থাকা একটি কোড স্ক্যান করলেই শিক্ষার্থীরা মুখে কথা বলে সরাসরি একজন এআই শিক্ষকের সঙ্গে ইন্টার্যাক্ট করতে পারে।…
কী কী হবে এই চুক্তিতে কয়েকটা কোম্পানির মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই করে টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসকে প্রাথমিক পার্টনার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই সমঝোতা স্মারক (MoU) অনুযায়ী দুই পক্ষ মিলে খতিয়ে দেখবে:…
কী করে এই স্টার্টআপ? স্কুবিস ক্লাব আসলে একটা প্রিমিয়াম ডগ কেয়ার হাব নেটওয়ার্ক — মানে পাড়ার মধ্যেই কুকুরদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি জায়গা, যেখানে তাদের রাখা, খেলানো ও দেখাশোনা করা হয়…
লেগাটো ফ্রেমস আসলে কী? কোম্পানির এই এআই হিয়ারিং গ্লাসের নাম লেগাটো ফ্রেমস। সাধারণ চশমার মতোই দেখতে এই ফ্রেমের ভেতরেই লুকানো আছে পেটেন্ট করা শ্রবণ-সহায়ক প্রযুক্তি। মানে, বাইরে থেকে বোঝার উপায়…
কেন শুরু হলো কবসুক? প্রতিষ্ঠাতা অজিজ কাপাসি চেয়েছিলেন এমন কিছু তৈরি করতে, যা শুধু ব্যবসা নয়, বরং সৃজনশীল কিন্তু কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তরুণ-তরুণীদের জন্য স্থায়ী আয়ের পথও খুলে দেবে।…
মেটার নিজস্ব ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মে মাস থেকে এই ফিচারটি ভারতের যোগ্য ব্যবসাগুলির জন্য চালু হয়েছে, এবং ধাপে ধাপে সব যোগ্য ব্যবসায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটি মূলত হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস…
সংক্ষেপে BHASHINI — ৩৬+ ভাষায় বিনামূল্যে অনুবাদ ও ভয়েস প্রযুক্তি। AIKosh — ৭,৫০০+ ডেটাসেট ও ২৭৩টি এআই মডেলের বিনামূল্যের ভাণ্ডার। সব ক'টিই কেন্দ্রীয় সরকারের তৈরি, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহারযোগ্য। ১. BHASHINI…
নতুন উদ্যোগের পেছনের প্রেক্ষাপট সুইগি ও জোম্যাটো ভারতের খাদ্য সরবরাহ ও লজিস্টিকস খাতের সার্বিক রূপান্তরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। এই সংস্থাগুলোর প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার আলোকেই…
ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং সাপ্তাহিক ফান্ডিং-এর গুরুত্ব স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল (VC) এবং অ্যাঞ্জেল ইনভেস্টরদের ভূমিকা অপরিসীম। একটি স্টার্টআপ যখন তার প্রাথমিক স্তর বা ‘আইডিয়েশন স্টেজ’ থেকে বেরিয়ে এসে একটি…
অনুলিপি বা কপি-ক্যাট বিজনেসের দিন শেষ! ফ্লিপকার্ট বা ওলার জমানার ভারতীয় কাস্টমাইজড মডেলকে বদলে দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী টেকনোলজি তৈরিতে নেমে পড়েছে দেশের ‘জেন জি’ (Gen Z) তরুণ উদ্যোক্তারা। এয়ারবাউন্ড-এর নমন পুষ্প কিংবা দিগন্তরা-র অনিরুদ্ধ শর্মাদের মতো ২১ থেকে ২৭ বছর বয়সী ফাউন্ডাররা প্রমাণ করছেন—ভারত আর কেবল গ্লোবাল কনসেপ্টের "দেশি ভার্সন" বানাবে না, বরং প্রথম দিন থেকেই বিশ্বমঞ্চের জটিল টেক-চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করবে।
ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্রেনস্টর্মিং, ক্লায়েন্ট কল আর ক্যাম্পেইন স্ট্র্যাটেজি মিটিং—মার্কেটিং ও ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের কর্মজীবনের একটা বড় অংশই কেটে যায় জুম বা মিটিং রুমে। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনার পর ঠিক কী সিদ্ধান্ত হলো কিংবা 'অ্যাকশন আইটেম' কার কাঁধে চাপলো, তা নিয়ে অনেক সময় ধোঁয়াশা থেকেই যায়। এই চিরচেনা সমস্যারই এক বাস্তবসম্মত সমাধান নিয়ে এসেছে ভারতীয় এআই স্টার্টআপ Acta.ai। মিটিংয়ের অগোছালো কথোপকথনকে স্রেফ নোটে না বদলে, সেখান থেকে সরাসরি পরিমাপযোগ্য ও কার্যকর ‘আউটকাম’ বের করে দিচ্ছে এই মেড-ইন-ইন্ডিয়া প্ল্যাটফর্ম।
বাচ্চাদের স্ক্রিন আসক্তি যখন আধুনিক অভিভাবকদের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়, ঠিক তখনই শিশুদের টেকনোলজি বিভাগে নতুন বিপণন সম্ভাবনা উন্মোচন করছে ভারতীয় স্টার্টআপ 'উইপি' (Wippi)। স্ক্রিন-মুক্ত, ভয়েস-ভিত্তিক এআই (Voice AI) প্রোডাক্ট তৈরির লক্ষ্যে কোম্পানিটি সম্প্রতি তাদের সিড ফান্ডিং রাউন্ডে ১.২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০ কোটি টাকা) সংগ্রহ করেছে। এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল রাউন্ডটির নেতৃত্বে ছিল ১২ ফ্ল্যাগস (12 Flags), এবং সাথে অংশ নিয়েছিল ওয়ার্মআপ ভেঞ্চারস, ভেনটানা ভেঞ্চারস ও রুভেন্টো ভেঞ্চারস।
ভারতের ই-কমার্স ও ডিটুসি (D2C) লজিস্টিকস জগতের অন্যতম বড় নাম শিপরকেট (Shiprocket)-এর বহুপ্রতীক্ষিত আইপিও (IPO) বাজারের প্রথম দিনেই বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলল। সার্বিকভবে আইপিও-টি ৩৫% সাবস্ক্রাইব হলেও, খুচরো বিনিয়োগকারী (Retail Investors) এবং সংস্থার কর্মীদের জন্য নির্দিষ্ট রাখা অংশটি প্রথম দিনেই পুরোপুরি বুকড হয়ে গেছে।
দেশের রিটেইল ও ডি-টু-সি (D2C) আইওয়্যার বাজারে আবার বাজিমাত করল লেন্সকার্ট (Lenskart)। চালু আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (Q1) সংস্থাসূত্রে জানানো হয়েছে, তাদের নিট মুনাফা এক ধাক্কায় প্রায় ৩.৭ গুণ (৩.৭x) বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছাল ২২৮.৪ কোটি টাকায়। একই সঙ্গে বার্ষিক আয়েও ৪৩% লাফ দেখা গেছে, যা দাঁড়িয়েছে ২,৭১৪ কোটি টাকায়।
ইনশিওরটেক (Insurtech) খাতের অন্যতম বৃহৎ নাম পিবি ফিনটেক (PB Fintech)—যারা পলিসিবাজার (Policybazaar)-এর অভিভাবক সংস্থা—চলতি আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (Q1) এক দুর্দান্ত আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে। সংস্থার কনসোলিডেটেড নিট মুনাফা (PAT) গত বছরের তুলনায় প্রায় ৯২% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়াল ১৬৩ কোটি টাকায়। যেখানে আগের বছর একই সময়ে এই লাভের অঙ্ক ছিল ৮৫ কোটি টাকা। পাশাপাশি, সংস্থার পরিচালন আয় (Revenue from operations) ৪০% বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১,৮৮৮ কোটি টাকায়।
ভারতের অন্যতম শীর্ষ লজিস্টিকস সংস্থা ডেলহিভারি (Delhivery) চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের (Q1) আর্থিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সংস্থার রেভিনিউ ২৮% বৃদ্ধি পেয়ে ২,৯৩১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, কিন্তু নিট মুনাফায় নেমেছে ৬৫% বিশাল ধস—যা গত বছরের ৯১ কোটি টাকা থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৩২ কোটি টাকায়।
ব্র্যান্ড প্রমোশন, ফটোশুট কিংবা ইনফ্লুয়েন্সার মিট-আপ— নতুন ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা যতটাই থ্রিলিং, সঠিক লোকেশন আর স্টুডিও খোঁজার কাজটা মার্কেটিং ও ব্র্যান্ড টিমগুলোর কাছে ততটাই মাথা ব্যথার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডিএম পাঠানো, ফোন করে দরদাম করা আর শেষ মুহূর্তে ক্যানসেলেশন— এই চিরপরিচিত ট্রাফিক জ্যাম কাটাকুটি করতেই বাজারে এসেছে নতুন স্টার্টআপ 'স্পেয়ার স্পেস' (Spare Space)।
অনলাইন জ্যোতিষশাস্ত্র ও আধ্যাত্মিক টেক প্ল্যাটফর্ম অ্যাস্ট্রোটক (Astrotalk) কর্মচারীদের জন্য ইএসওপি (ESOP) বাইব্যাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যায়নে পৌঁছে আনুষ্ঠানিকভাবে 'ইউনিকর্ন' ক্লাবে প্রবেশ করেছে। ১০০ জনেরও বেশি কর্মচারীকে লিকুইডিটির সুবিধা দিয়ে এবং সম্পূর্ণ নিজেদের অর্জিত মুনাফার অর্থ দিয়ে এই বাইব্যাক পরিচালনা করে সংস্থাটি নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে।
দেশীয় প্রযুক্তি আর "মেক ইন ইন্ডিয়া"-র গল্পে নতুন মোড়। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, মানে DRDO, তাদের Technology Development Fund-এর আওতায় একটা রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল বার করেছে — লক্ষ্য, ৫০টা ড্রোনের এমন একটা সোয়ার্ম বানানো, যেটা জ্যামিং হলেও একসঙ্গে, খুব কাছাকাছি ফর্মেশনে (মাত্র ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে) উড়তে পারবে। অপারেশন সিন্দুরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এই উদ্যোগ, রিপোর্ট বলছে।
গত সপ্তাহ (২৭-৩১ জুলাই) ভারতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য একটু মিশ্র খবর নিয়ে এসেছে। মোট ১১টা ডিলে স্টার্টআপগুলো তুলেছে প্রায় $142.3 মিলিয়ন, যেটা আগের সপ্তাহের $209.1 মিলিয়নের (১৪টা ডিল) থেকে প্রায় ৩২% কম। তার মানে বিনিয়োগকারীরা এখনও পুরোপুরি সাবধানী মুডে আছে, বলা যায়।
নতুন স্টার্টআপ বা ডিটুসি (D2C) ব্র্যান্ডের গ্রোথ ড্রাইভ করার সময় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সঠিক সময়ে ক্যাশ ফ্লো এবং ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের অভাব। সম্প্রতি ই-কমার্স ও লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম শিপ রকেট (Shiprocket)-এর প্রকাশিত নির্দেশিকায় উঠে এসেছে, কীভাবে স্টার্টআপ বিজনেস লোনের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ব্র্যান্ড ম্যানেজার এবং সেলাররা কোম্পানির মালিকানা না হারিয়ে ব্যবসায়িক রূপান্তর ঘটাতে পারেন।
ভারতের ক্রমবর্ধমান ই-কমার্স বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ড পজিশনিং আরও মজবুত করতে Series A ফান্ডিং রাউন্ডে ৬৫ কোটি টাকা ($৬.৬ মিলিয়ন) বিনিয়োগ পেল বেঙ্গালুরুভিত্তিক হোম ডেকোর ও ফার্নিশিং প্ল্যাটফর্ম 'ভারী' (Vaaree)। Hero Enterprise এবং Cap Alpha Ventures (পূর্বতন Client Associates Alternate Fund)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এই বিনিয়োগ ডি-টু-সি (D2C) ব্র্যান্ড ম্যানেজার ও বিপণন বিশেষজ্ঞদের (marketers) জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে।
ভারতের শীর্ষস্থানীয় এআই স্টার্টআপ ‘সার্বাম এআই’ (Sarvam AI) তাদের সিরিজ-বি ফান্ডিংয়ের অংশ হিসেবে ৭৪ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭০০ কোটি টাকা) নতুন বিনিয়োগ সংগ্রহ করেছে। বিশ্বখ্যাত চিপমেকার এনভিডিয়া (Nvidia)-র নেতৃত্বে এই অর্থায়নে যুক্ত হয়েছে গ্লেড ব্রুক ক্যাপিটাল, গজা ক্যাপিটাল ও অ্যাক্টিভেটের মতো প্রভাবশালী সংস্থা। এই বিনিয়োগের পর সার্বামের মূল্যায়ন পৌঁছে গেছে ১.৫১ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ১৪,৩৪২ কোটি টাকা)।