স্কুবিস ক্লাব ফান্ডিং: প্রিমিয়াম ডগ কেয়ার হাবে ২.৫ লাখ ডলার
ভারতের পোষ্য যত্ন বাজারে এবার নতুন মোড়। বেঙ্গালুরুর স্টার্টআপ স্কুবিস ক্লাব ফান্ডিং রাউন্ডে জোগাড় করেছে ২,৫০,০০০ মার্কিন ডলার। এই প্রি-সিড রাউন্ডের নেতৃত্বে ছিল টিডিভি পার্টনার্স।
চটজলদি জেনে নিন
- কী করে এই স্টার্টআপ?
- স্কুবিস ক্লাব আসলে একটা প্রিমিয়াম ডগ কেয়ার হাব নেটওয়ার্ক — মানে পাড়ার মধ্যেই কুকুরদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি জায়গা, যেখানে তাদের রাখা, খে…
- ২০২৫ সালে এটি শুরু করেন XLRI জামশেদপুরের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী অনিমেহা সিং ও অঙ্কিত গুপ্তা।
- সহজ ভাষায় বললে, এটা অনেকটা কুকুরদের জন্য একটা "ডে-কেয়ার প্লাস বোর্ডিং" — যেখানে শুধু খাবার-থাকা নয়, বরং তাদের মানসিক ভালো থাকা নিয়েও ভা…

কী করে এই স্টার্টআপ?
স্কুবিস ক্লাব আসলে একটা প্রিমিয়াম ডগ কেয়ার হাব নেটওয়ার্ক — মানে পাড়ার মধ্যেই কুকুরদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি জায়গা, যেখানে তাদের রাখা, খেলানো ও দেখাশোনা করা হয় পেশাদারভাবে। ২০২৫ সালে এটি শুরু করেন XLRI জামশেদপুরের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী অনিমেহা সিং ও অঙ্কিত গুপ্তা।
সহজ ভাষায় বললে, এটা অনেকটা কুকুরদের জন্য একটা “ডে-কেয়ার প্লাস বোর্ডিং” — যেখানে শুধু খাবার-থাকা নয়, বরং তাদের মানসিক ভালো থাকা নিয়েও ভাবা হয়।
কী কী সুবিধা মেলে
- প্রতিটি কুকুরের টেম্পারামেন্ট টেস্ট (স্বভাব পরীক্ষা) করে তাদের আকার অনুযায়ী গ্রুপে ভাগ করা হয়, যাতে সোশ্যালাইজেশন নিরাপদ ও কম চাপের হয়
- সম্পূর্ণ ইনডোর ও ক্লাইমেট-কন্ট্রোলড জায়গা, সাউন্ড-সেন্ট-কালার দিয়ে মানসিক উদ্দীপনার ব্যবস্থা
- অ্যালার্জেন-সেনসিটিভ কেয়ার ও ব্যক্তিগত নজরদারি
- ২৪x৭ সিসিটিভি অ্যাক্সেস, যাতে মালিকরা যেকোনো সময় নিজের পোষ্যকে দেখতে পান
টাকাটা খরচ হবে কোথায়
এই প্রি-সিড ফান্ডিং-এর টাকা দিয়ে সংস্থাটি আগামী ৬-১২ মাসে বেঙ্গালুরুর মধ্যে আরও ২টি নতুন প্রপার্টি খুলবে। পাশাপাশি নিয়োগ করা হবে প্রশিক্ষিত “canine coach” বা কুকুর বিশেষজ্ঞ, যাতে প্রতিটি হাবে বিশেষজ্ঞ-নেতৃত্বাধীন অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
দীর্ঘমেয়াদে লক্ষ্য আরও বড় — গোটা ভারতের বড় বড় শহরে ১০০টি প্রপার্টি নিয়ে একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যেখানে কুকুরের যত্ন থাকবে একদম পাড়ার কাছেই।
কেন এই মডেল গুরুত্বপূর্ণ
সহ-প্রতিষ্ঠাতা অনিমেহা সিংয়ের কথায় বোঝা যায়, ভারতে পোষ্য পালনের ধারণাটাই এখন বদলে গেছে। আগে যা শুধু খাওয়ানো-গ্রুমিং-ভেট চেকআপের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, এখন তা পরিবারের একটা অংশ হয়ে উঠেছে — অনেকটা সন্তানের মতোই।
এই পেট কেয়ার স্টার্টআপ-এর পেছনে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান টিডিভি পার্টনার্সের মতে, ভারতের পেট ইকোনমি বাড়ছে বাড়তি আয়, বদলে যাওয়া জীবনযাত্রা আর পোষ্য দত্তক নেওয়ার প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গে। বিশেষ করে DINK (ডুয়েল-ইনকাম-নো-কিডস) ও SINK (সিঙ্গল-ইনকাম-নো-কিডস) পরিবারগুলোতে পোষ্যরাই এখন অনেকটা সন্তানের জায়গা নিচ্ছে।
মোটকথা, ভারতের শহুরে পরিবারগুলোয় পোষ্য পালনের ধরন যেভাবে বদলাচ্ছে, স্কুবিস ক্লাবের মতো নেইবারহুড-ভিত্তিক ডগ কেয়ার হাব সেই ফাঁক পূরণের চেষ্টা করছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।











