DRDO-র জ্যাম-প্রুফ ড্রোন সোয়ার্ম চ্যালেঞ্জ: ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের জন্য কেন এটা বড় খবর

দেশীয় প্রযুক্তি আর “মেক ইন ইন্ডিয়া”-র গল্পে নতুন মোড়। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন, মানে DRDO, তাদের Technology Development Fund-এর আওতায় একটা রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল বার করেছে — লক্ষ্য, ৫০টা ড্রোনের এমন একটা সোয়ার্ম বানানো, যেটা জ্যামিং হলেও একসঙ্গে, খুব কাছাকাছি ফর্মেশনে (মাত্র ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে) উড়তে পারবে। অপারেশন সিন্দুরের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েই এই উদ্যোগ, রিপোর্ট বলছে।

DRDO-র জ্যাম-প্রুফ ড্রোন সোয়ার্ম চ্যালেঞ্জ: ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের জন্য কেন এটা বড় খবর

Disclaimer: Images made with AI.

টেকনিক্যাল দিকটাও বেশ কড়া — প্রতিটা ড্রোনকে ২০ মিটার/সেকেন্ড হাওয়া আর ৫,০০০ মিটার উচ্চতাতেও ৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে পজিশন ধরে রাখতে হবে, আর কোনও ভুল হলে তা ৫০০ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে ঠিক করে নিতে হবে। NAVIC-ভিত্তিক নেভিগেশন, দেশীয় অটোপাইলট আর সেন্সর — সবটাই ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয় কনটেন্ট হতে হবে, শত্রু দেশের কম্পোনেন্ট একদম নিষিদ্ধ। প্রজেক্টটা খোলা শুধু ভারতীয় স্টার্টআপ আর MSME-দের জন্য, বড় সরকারি সংস্থাগুলো এতে অংশ নিতে পারবে না।

মার্কেটার আর ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের জন্য অ্যাঙ্গেলটা কী?

এটা শুধু ডিফেন্স খবর নয়, এটা একটা “দেশীয় প্রযুক্তি” ন্যারেটিভ তৈরির সুযোগ। যে স্টার্টআপগুলো এই প্রজেক্টে অংশ নেবে, তাদের কাছে এখন “মেক ইন ইন্ডিয়া”, “আত্মনির্ভর ভারত” থিমে ব্র্যান্ড পজিশনিং করার দারুণ একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি হল। ইনভেস্টর রিলেশন, PR, আর B2G (বিজনেস-টু-গভর্নমেন্ট) কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজিতেও এই খবরটা কাজে লাগানো যেতে পারে — বিশেষত ডিফেন্স-টেক আর ডিপ-টেক সেক্টরে ব্র্যান্ড বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। প্রোটোটাইপ তৈরির জন্য সময় ধরা হয়েছে ১২ মাস, আর পুরো প্রজেক্ট ক্লোজার ২৪ মাসের মধ্যে।