ব্র্যান্ড ও শিল্প (Brand & Industry)

অ্যাপল ফোল্ডেবল আইফোন: লঞ্চ হল নতুন সিইও টার্নাসের হাতে

বুধবার রাতে অ্যাপল দিল তাদের সবচেয়ে বড় চমক। ক্যালিফোর্নিয়ার কুপারটিনোয় স্টিভ জবস থিয়েটারে হয়ে গেল অ্যাপলের বহু প্রতীক্ষিত ইভেন্ট। আর এই প্রথমবার মঞ্চে দাঁড়ালেন কোম্পানির নতুন সিইও জন টার্নাস। ১ সেপ্টেম্বর টিম কুকের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম বড় লঞ্চ ইভেন্ট।

Quick Take

  • নতুন সিইওর নেতৃত্বে অ্যাপল অবশেষে তাদের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচন করল।
  • আইফোন ১৮ প্রো এবং প্রো ম্যাক্সে এসেছে ক্যামেরা, ব্যাটারি ও পারফরম্যান্সে বড় ধরনের আপগ্রেড।
  • সিরি পেয়েছে বড় ধরনের এআই আপগ্রেড, যেখানে গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
  • চিপ সংকটের কারণে এ বছর আইফোনের দাম আরও বাড়তে পারে।

কেন এত আলোচনায় অ্যাপল ফোল্ডেবল আইফোন লঞ্চ

স্যামসাং, মোটোরোলা আর গুগল অনেক আগেই ভাঁজযোগ্য বা “ফোল্ডেবল” ফোন বাজারে এনে ফেলেছে। কিন্তু অ্যাপল কোনও কিছুতেই তাড়াহুড়ো করে না। সূত্র অনুযায়ী, এই ইভেন্টেই অ্যাপল তাদের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন উন্মোচন করেছে, সঙ্গে এসেছে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের জোড়াও। এভাবেই সম্পন্ন হলো বহু প্রতীক্ষিত অ্যাপল আইফোন ফোল্ড লঞ্চ।

টার্নাস মঞ্চে বেশিক্ষণ থাকেননি। একটি ভিডিও বার্তায় তিনি অ্যাপলের “শ্রেষ্ঠত্বের প্রতি নিরলস অনুসন্ধান”-কে কুর্নিশ জানান। তারপর বলেন, আইফোন ১৮ প্রো আর আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে এসেছে ব্যাটারি, ক্যামেরা আর পারফরম্যান্সে বড় উন্নতি।

সিরির নতুন এআই ফিচার আর প্রাইভেসিতে জোর

এই লঞ্চে অ্যাপলের ফোকাস স্পষ্ট—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। সিরির নতুন ক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে, সঙ্গে বারবার বলা হয়েছে প্রাইভেসি ও সিকিউরিটির কথা। কারণ এআই রেসে গুগল-স্যামসাং অনেকটাই এগিয়ে, তাই নিরাপত্তাকেই হাতিয়ার করছে অ্যাপল।

দাম কেন বাড়ছে

মেমোরি চিপের বিশ্বব্যাপী সংকটের কারণে নতুন আইফোনের দাম আগের চেয়ে বেশি হতে পারে। গত বছরের আইফোন ১৭-এর দাম ছিল ৭৯৯ থেকে ১,৯৯৯ ডলারের মধ্যে, মডেল অনুযায়ী।

নতুন লাইনআপে যা যা থাকছে:

  • আইফোন ১৮ প্রো ও প্রো ম্যাক্স — উন্নত ব্যাটারি, ক্যামেরা, পারফরম্যান্স
  • অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন
  • সিরির আপগ্রেডেড এআই ফিচার, প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক
  • আগের প্রজন্মের তুলনায় বেশি দাম সম্ভবত

টার্নাসের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

ফরেস্টারের বিশ্লেষক দীপাঞ্জন চ্যাটার্জি বলছেন, টার্নাস এমন একটা কোম্পানির দায়িত্ব পেয়েছেন যা আধুনিক সময়ের সবচেয়ে সফল কনজিউমার টেক জায়ান্ট। এটা যেমন সৌভাগ্যের, তেমনই বিরাট দায়িত্বেরও। টিম কুক যে উচ্চতায় অ্যাপলকে নিয়ে গেছেন, সেই ধারা ধরে রাখতে হবে টার্নাসকে।

 

গত বছরের আইফোন ১৭ লাইনআপ দারুণ বিক্রি হয়েছিল, বিশেষ করে পাতলা “এয়ার” মডেল। এবার অ্যাপল আইফোন ফোল্ড লঞ্চের মাধ্যমে সেই সাফল্যের ধারা এগিয়ে নিতে চাইছেন নতুন সিইও।

ADVERTISEMENT

Latest across all sections