ব্র্যান্ডিং ও মার্জিনের কেরামতি: প্রথম ত্রৈমাসিকে লেন্সকার্টের মুনাফা বেড়ে ২২৮.৪ কোটি, আয় বাড়ল ৪৩%

দেশের রিটেইল ও ডি-টু-সি (D2C) আইওয়্যার বাজারে আবার বাজিমাত করল লেন্সকার্ট (Lenskart)। চালু আর্থিক বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে (Q1) সংস্থাসূত্রে জানানো হয়েছে, তাদের নিট মুনাফা এক ধাক্কায় প্রায় ৩.৭ গুণ (৩.৭x) বৃদ্ধি পেয়ে পৌঁছাল ২২৮.৪ কোটি টাকায়। একই সঙ্গে বার্ষিক আয়েও ৪৩% লাফ দেখা গেছে, যা দাঁড়িয়েছে ২,৭১৪ কোটি টাকায়।

ব্র্যান্ডিং ও মার্জিনের কেরামতি: প্রথম ত্রৈমাসিকে লেন্সকার্টের মুনাফা বেড়ে ২২৮.৪ কোটি, আয় বাড়ল ৪৩%

Disclaimer: Images made with AI.

মার্কেটার এবং ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের কাছে এই ফলাফলের মূল বার্তা লুকিয়ে রয়েছে লেন্সকার্টের সুপরিকল্পিত অমনিচ্যানেল (Omnichannel) নেটওয়ার্ক বিস্তার এবং মার্জিন নিয়ন্ত্রণের কৌশলে। এবারই প্রথমবার ব্র্যান্ডটির একত্রীকৃত প্রোডাক্ট মার্জিন ৭০% ছাড়িয়েছে (৭০.৩%)। আন্তর্জাতিক বাজারের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি (৩৮%) এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যবসার জোরালো পারফরম্যান্স (৩০.৭%) সংস্থার এই বিপুল সাফল্যের প্রধান চালিকাশক্তি।

ব্র্যান্ড বিশেষজ্ঞ ও বিপণনকারীদের জন্য এই রিপোর্ট থেকে তিনটি প্রধান শিক্ষণীয় বিষয় সামনে আসছে:

১. অমনিচ্যানেলের শক্তি: অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহককে আকর্ষণ করা এবং ১,৫০০-রও বেশি অফলাইন স্টোরের সাহায্যে সেল কনভার্সন নিশ্চিত করার যে মডেল লেন্সকার্ট তৈরি করেছে, তা সফলভাবে স্কেল করছে।

২. আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ: অনডেজ (Owndays) অধিগ্রহণের পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে উপস্থিতি মজবুত করা সংস্থার মার্জিন বাড়াতে বড় ভূমিকা নিয়েছে।

৩. প্রাইভেট লেবেলের ব্যবহার: জন জেকবস (John Jacobs)-এর মতো প্রিমিয়াম প্রাইভেট লেবেল ব্র্যান্ডের সুবাদে গ্রাহকভিত্তি শক্ত করার পাশাপাশি গড় বিলের মান (AOV) বাড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স ও অফলাইন রিটেইল শপের নিখুঁত মেলবন্ধন কীভাবে একটি ঐতিহ্যগত ফ্রেম ও লেন্সের ব্যবসাকে হাই-গ্রোথ টেক-ড্রাইভেন ব্র্যান্ডে রূপান্তর করতে পারে, লেন্সকার্টের এই কোয়ার্টারলি পারফরম্যান্স তারই স্পষ্ট প্রমাণ।