সাইবার নিরাপত্তায় জোর: জম্মু-কাশ্মীরের সব সরকারি দপ্তরে নতুন সুরক্ষা ব্যবস্থা
জম্মু ও কাশ্মীরের সরকারি কম্পিউটার আর নেটওয়ার্ক এবার আরও কড়া সুরক্ষার আওতায় আসছে। সাইবার হুমকি বাড়ছে, তাই সব সরকারি দপ্তর ও সংস্থাকে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করতে বলেছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।
চটজলদি জেনে নিন
- জম্মু-কাশ্মীরের সব সরকারি দপ্তরে বসছে নতুন UEM ও EDR সুরক্ষা প্রযুক্তি।
- NICNET ও JKSWAN নেটওয়ার্কে বাড়তি সাইবার হুমকি ঠেকাতেই এই পদক্ষেপ।
- সাইবার ওয়ারিয়র্স" দল ধাপে ধাপে সব ডিভাইসে নতুন সিস্টেম বসাবে।
- লক্ষ্য নিরাপদ, জবাবদিহিমূলক ই-গভর্নেন্স ও দ্রুত সাইবার হামলা মোকাবিলা।

কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে?
সাধারণ প্রশাসন বিভাগের (GAD) কমিশনার-সচিব এম রাজু একটি সার্কুলার জারি করেছেন। তাতে সব দপ্তর ও সংস্থাকে UEM এবং EDR-এর নতুন সংস্করণ চালু করতে বলা হয়েছে। প্রযুক্তির নামগুলো সহজ করে বলা যাক:
- UEM (ইউনিফায়েড এন্ডপয়েন্ট ম্যানেজমেন্ট): অফিসের কম্পিউটার ও ল্যাপটপের মতো ডিভাইস এক জায়গা থেকে নজরে রাখার ব্যবস্থা।
- EDR (এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স): ডিভাইসে সন্দেহজনক কিছু ঘটলে তা ধরে ফেলা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার সফটওয়্যার।
সাইবার নিরাপত্তা আপগ্রেড কেন দরকার?
সরকার বলছে, সরকারি আইটি পরিকাঠামোয় সাইবার হুমকি বাড়ছে। বিশেষ করে ঝুঁকি রয়েছে NICNET এবং জম্মু ও কাশ্মীর স্টেট ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (JKSWAN)-এর সঙ্গে যুক্ত ডিভাইসে।
আরেকটি কারণ আছে। বর্তমান UEM ও EDR-এর লাইসেন্স সাপোর্টের মেয়াদ প্রায় শেষ। তাই নিরাপত্তা পরিষেবা যাতে বন্ধ না হয়, সেজন্য NIC সদর দপ্তর নতুন সংস্করণ কিনেছে।
নতুন ব্যবস্থায় যা যা হবে:
- সরকারি ডিভাইসগুলো এক কেন্দ্র থেকে পরিচালনা করা যাবে
- নিরাপত্তার নিয়ম মানা এবং দুর্বলতার ওপর নজরদারি সহজ হবে
- সাইবার হামলার আভাস আগেভাগে ধরা পড়বে
- কোনও ঘটনা ঘটলে দ্রুত সাড়া দেওয়া যাবে
দপ্তরে দপ্তরে যাবে “সাইবার ওয়ারিয়র্স”
NIC-র সাইবার নিরাপত্তা কর্মীদের একটি বিশেষ দল তৈরি হয়েছে, নাম “সাইবার ওয়ারিয়র্স”। তারা সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থায় গিয়ে NICNET-JKSWAN-এর সঙ্গে যুক্ত সব ডিভাইসে নতুন সিস্টেম বসাবে। কাজ হবে ধাপে ধাপে।
প্রশাসনিক সচিব এবং দপ্তর, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও কর্পোরেশনের প্রধানদের বলা হয়েছে, নির্দেশ যেন তাঁদের অধীনে থাকা সব আধিকারিক ও কর্মীর কাছে পৌঁছে যায়। NIC দলকে পূর্ণ সহযোগিতা করার কথাও বলা হয়েছে।
লক্ষ্য কী?
সরকারের কথায়, এই উদ্যোগের লক্ষ্য সাইবার নিরাপত্তা মজবুত করা এবং আইটি পরিচালনার নিয়ম মেনে চলা। পাশাপাশি পুরো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নিরাপদ ও জবাবদিহিমূলক ই-গভর্নেন্স গড়ে তোলাও লক্ষ্য। সব মিলিয়ে সরকারি ডিজিটাল ব্যবস্থায় সাইবার নিরাপত্তা এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে, এটা স্পষ্ট।











