পলিসি ও গভটেক (Govt & Digital Policy)

গোয়া এআই নীতি ২০২৬: ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসে ঢুকছে এ আই

স্কুলের পড়ায় এবার জায়গা পাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, যাকে আমরা এআই বলি। গোয়া এআই নীতি ২০২৬ চালু করেছে রাজ্য সরকার। ২২ অক্টোবর মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী রোহন খাউন্টে এই নীতি প্রকাশ করেন।

চটজলদি জেনে নিন

  • ২০২৭-২৮ থেকে কী বদলাচ্ছে গোয়া এআই নীতি ২০২৬ অনুযায়ী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে "এআই ফান্ডামেন্টালস" পড়ানোর প্রস্ত…
  • তবে এটা নির্ভর করবে পাঠ্যক্রমের অনুমোদন, শিক্ষকদের প্রস্তুতি ও বার্ষিক পর্যালোচনার ওপর।
  • পাঠ্যক্রম হবে জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো ২০২৩-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • বয়স অনুযায়ী মডিউলে থাকবে দায়িত্বশীল এআই ব্যবহার ও মিডিয়া সাক্ষরতা।

২০২৭-২৮ থেকে কী বদলাচ্ছে

গোয়া এআই নীতি ২০২৬ অনুযায়ী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে “এআই ফান্ডামেন্টালস” পড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। তবে এটা নির্ভর করবে পাঠ্যক্রমের অনুমোদন, শিক্ষকদের প্রস্তুতি ও বার্ষিক পর্যালোচনার ওপর। পাঠ্যক্রম হবে জাতীয় পাঠ্যক্রম কাঠামো ২০২৩-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বয়স অনুযায়ী মডিউলে থাকবে দায়িত্বশীল এআই ব্যবহার ও মিডিয়া সাক্ষরতা।

৫০টি সরকারি স্কুলে এআই ল্যাব

  • প্রথম ধাপে ২০টি গ্রামীণ স্কুলে ল্যাব হবে।
  • পরে আরও ৩০টি শহর বা আধা-শহর এলাকার স্কুলে ল্যাব হবে।
  • এই ল্যাব বর্তমান অটল টিঙ্কারিং ল্যাব ও IndiaAI Future Skills পরিকাঠামোর পরিপূরক হবে।

মুখ্যমন্ত্রী সাওয়ান্ত বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নাগাল বাড়াতে কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক প্রতিষ্ঠানকেও এআই ল্যাবে রূপান্তর করা উচিত।

শিক্ষক ও দক্ষ কর্মী তৈরির পরিকল্পনা

এআই শিক্ষার জন্য শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আইআইটি গোয়া, NPTEL ও স্টেট ইনস্টিটিউট অফ এডুকেশনের মাধ্যমে ৫০০ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাঁদের মধ্য থেকে ১০০ জন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে গড়া হবে “এআই কোচ নেটওয়ার্ক”।

২০৩০ সালের মধ্যে ৫০,০০০ জন এআই-সার্টিফাইড পেশাদার তৈরির লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে:

  • অন্তত ২৫ শতাংশ নারী
  • ৩০ শতাংশ ৩০ বছরের কম বয়সি তরুণ
  • ১৫ শতাংশ দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের তালুকা থেকে

দক্ষতা মাপতে থাকবে তিন স্তরের সার্টিফিকেশন: ফাউন্ডেশনাল, প্র্যাকটিশনার ও স্পেশালিস্ট।

হ্যাকাথন, স্টার্টআপ ও কোঙ্কণি ভাষা

ছাত্রছাত্রীদের নতুন ভাবনাকে উৎসাহ দিতে হ্যাকাথন ও চ্যালেঞ্জ হবে। গোয়া স্টার্টআপ নীতির আওতায় ইনকিউবেশন ও আর্থিক সহায়তার সুযোগও থাকবে।

এআই-স্কিলিং পাবে শিক্ষার্থী, স্নাতক, সরকারি আধিকারিক, পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা (MSME) এবং সাধারণ নাগরিক। ভাষা, অঞ্চল, লিঙ্গ, বয়স, আয় ও সক্ষমতার ভেদাভেদ দূর করাই লক্ষ্য।

গোয়ার ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার কথাও নীতিতে আছে। BHASHINI-র সহযোগিতায় কোঙ্কণি ভাষার লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM) ও স্মল ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল তৈরি হবে। LLM হলো এমন এআই, যা মানুষের ভাষা বুঝে উত্তর দিতে পারে।

 

মন্ত্রী খাউন্টের মতে, গোয়া এআই টেক কনক্লেভ ২০২৬ আয়োজনের মাধ্যমে রাজ্য নৈতিক, দায়িত্বশীল ও সবাইকে নিয়ে চলা এআই-এর কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

বিজ্ঞাপন

সব বিভাগের সর্বশেষ