নীতি আয়োগ এস অ্যান্ড টি স্কোরবোর্ডে গবেষণা প্রবন্ধে সবার আগে কোন রাজ্য? জেনে নিন
মঙ্গলবার চালু হয়েছে নীতি আয়োগ এস অ্যান্ড টি স্কোরবোর্ড। গবেষণা প্রবন্ধের তালিকায় সেখানে এক নম্বরে উঠে এসেছে তামিলনাড়ু। পেটেন্ট আবেদনেও তারাই সবার আগে। পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, সেরা তিনে আছে উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রও।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ভারতের আরও অগ্রগতির জন্য রাজ্যগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা দরকার।
অশোক কুমার লাহিড়ি, সহ-সভাপতি, নীতি আয়োগ
চটজলদি জেনে নিন
- কোন রাজ্য কত এগিয়ে ২০২৪-২৫ সালের হিসাবে গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা এ রকম: তামিলনাড়ু: ৪৪,৬১১টি উত্তরপ্রদেশ: ২৯,২৯৮টি মহারাষ্ট্র: ২৮,৯৪৭টি পেট…
- স্কোরবোর্ড জিনিসটা কী এস অ্যান্ড টি মানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
- এই স্কোরবোর্ড একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ড্যাশবোর্ড, অর্থাৎ এমন একটি অনলাইন পর্দা যেখানে এক জায়গায় অনেক তথ্য দেখা যায়।
- এতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিজ্ঞান-প্রযুক্তির ছবি একসঙ্গে মেলে।

কোন রাজ্য কত এগিয়ে
২০২৪-২৫ সালের হিসাবে গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা এ রকম:
- তামিলনাড়ু: ৪৪,৬১১টি
- উত্তরপ্রদেশ: ২৯,২৯৮টি
- মহারাষ্ট্র: ২৮,৯৪৭টি
পেটেন্ট আবেদনের তালিকায় তামিলনাড়ুর পরে আছে মহারাষ্ট্র, তারপর কর্ণাটক।
স্কোরবোর্ড জিনিসটা কী
এস অ্যান্ড টি মানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। এই স্কোরবোর্ড একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ড্যাশবোর্ড, অর্থাৎ এমন একটি অনলাইন পর্দা যেখানে এক জায়গায় অনেক তথ্য দেখা যায়। এতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিজ্ঞান-প্রযুক্তির ছবি একসঙ্গে মেলে।
এতে যা যা আছে:
- উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি) প্রতিষ্ঠান, ডিপ টেক স্টার্টআপ ও ইনকিউবেটর
- গবেষণা প্রবন্ধ ও পেটেন্টের মতো ফলাফল
- গবেষণার মান, প্রভাব, সহযোগিতা ও ওপেন অ্যাক্সেসের সূচক
- একাডেমিয়া, সরকারি আরঅ্যান্ডডি ল্যাব ও শিল্প, এই তিন ক্ষেত্রের তথ্য
- দুই রাজ্যকে পাশাপাশি রেখে তুলনা, সঙ্গে রাজ্যের নীতি ও সেরা উদাহরণ
কেন এই উদ্যোগ
নীতি আয়োগের সহ-সভাপতি অশোক কুমার লাহিড়ি বলেছেন, বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে ভারতকে আরও এগোতে হলে রাজ্যগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে। তাঁর মতে, সহযোগিতা ও প্রতিযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয়তার নীতিতে চলা এই স্কোরবোর্ড রাজ্যগুলোকে নিজেদের শক্তি ও ঘাটতি চিনতে সাহায্য করবে। একে অপরের কাছ থেকে শেখা এবং ভালো নীতি তৈরিও সহজ হবে। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে তিনি প্ল্যাটফর্মটি পুরোপুরি কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
নীতি আয়োগের সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) অভয় করন্দিকর বলেন, ভালো নীতির ভিত্তি হতে হবে নির্ভরযোগ্য ও তুলনীয় তথ্য। এত দিন গবেষণা ও উদ্ভাবনের তথ্য ছড়িয়ে ছিল নানা জায়গায়, ফলে রাজ্যগুলো নিজেদের অবস্থান বুঝতে পারত না। নীতি আয়োগ এস অ্যান্ড টি স্কোরবোর্ড সেই ফাঁক ভরাবে। এখানে গবেষণা প্রবন্ধ, পেটেন্ট ও পরিকাঠামোর তথ্য একসঙ্গে, বছরওয়ারি ধারা-সহ পাওয়া যাবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দপ্তরের সচিব উমেশ ভি ওয়াঘমারে বলেছেন, জাতীয় স্তরের তথ্যভান্ডারে এই স্কোরবোর্ড রাজ্যভিত্তিক একটি দরকারি ছবি যোগ করল। গবেষণার ভিত্তি বড় করতে রাজ্যের বিজ্ঞান-প্রযুক্তি পর্ষদ ও রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।
শুধু সংখ্যার দৌড় নয়, নীতি আয়োগ এস অ্যান্ড টি স্কোরবোর্ডের উদ্দেশ্য প্রমাণ-নির্ভর নীতি তৈরি করা। রাজ্যগুলো নিজের অবস্থান দেখে কোথায় পিছিয়ে, তা বুঝতে পারবে।











