জয়পুর থেকে ইনভেস্টমেন্ট বার্তা: রাজস্থানের নতুন AI-ML পলিসি ও ব্র্যান্ডদের বড় সুযোগ

রাজস্থানের জয়পুরে আয়োজিত ‘রিজিওনাল AI ইমপ্যাক্ট কনফারেন্স’-এ উন্মোচিত হলো রাজ্যের নতুন ‘AI-ML পলিসি ২০২৬’। মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের পর রাজস্থানও এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং নিয়ে নির্দিষ্ট রাজ্যনীতি নিয়ে এলো। রাজস্থান সরকারের এই পদক্ষেপ মার্কেন্টাইল এবং টেক-ব্র্যান্ডগুলোর জন্য ভারতের টায়ার-২ ও টায়ার-৩ শহরে মার্কেটিং ছড়ানোর একটি বিরাট বড় টেক-অফ পয়েন্ট।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও আইটি প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ জানান, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই জাতীয় AI মিশনের অধীনে ১০,০০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে। মূল নজর দেওয়া হচ্ছে তিনটি ক্ষেত্র—স্বাস্থ্য (Healthcare), কৃষি (Agriculture) এবং শিক্ষা (Education)

জয়পুর থেকে ইনভেস্টমেন্ট বার্তা: রাজস্থানের নতুন AI-ML পলিসি ও ব্র্যান্ডদের বড় সুযোগ

মার্কেটার ও ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের টেক-অ্যাওয়ে:

  • আঞ্চলিক বাজারের নতুন দিশা: টেক বা কনজিউমার ব্র্যান্ডগুলোর কাছে জয়পুরের মতো উদীয়মান টায়ার-২ বাজার এখন আর কেবল সাধারণ সেলস চ্যানেল নয়, বরং ইনোভেশন হাব। দিল্লি-বেঙ্গালুরু বা মুম্বইয়ের বাইরে এসে এবার টায়ার-২ শহরভিত্তিক ক্যাম্পেইন এবং লোকালাইজড মেসেজিংয়ে জোর দেওয়ার সময় এসেছে।
  • গ্র্যান্টস পাইলট প্রজেক্টের লাভ: এগ্রিটেক, এডটেক এবং হেলথটেক স্টার্টআপ ব্র্যান্ডগুলোর জন্য এটি দারুণ সুযোগ। রাজ্য সরকারের পাইলট কনট্র্যাক্ট এবং গ্র্যান্টসের কারণে এই তিন সেক্টরে ব্র্যান্ড পার্টনারশিপের নতুন দরজা খুলবে।
  • লোকাল ট্যালেন্ট কন্টেন্ট কমিউনিকেশন: আহমেদাবাদ বা জয়পুরের মতো শহরগুলোতে স্থানীয় পরিকাঠামো ও কাজের সুযোগ বাড়ায় পেশাদার তরুণরা এখন নিজ রাজত্বেই কাজ পাচ্ছেন। স্থানীয় কনজিউমারদের মানসিকতা বুঝে বাংলা বা অন্য আঞ্চলিক ভাষার সাথে রাজস্থানী বা লোকালাইজড মেসেজিং মিশিয়ে ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি সাজালে দুর্দান্ত এনগেজমেন্ট পাওয়া সম্ভব।

উৎপাদন খাত বা আইটি সার্ভিসেসের পর এবার রাজ্যগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে AI-লিঙ্কড ইনভেস্টমেন্ট নিজের দিকে টানার। জমি, বিদ্যুৎ ও কর ছাড়ের নতুন এই সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে ব্র্যান্ডগুলোর এখন উচিত স্থানীয় স্তরে তাদের রিচ ও স্ট্র্যাটেজি আরও শক্ত করা।