সাইবার সুরক্ষায় নয়া কেন্দ্রীয় উদ্যোগ — ব্র্যান্ড ও মার্কেটিং সেক্টরের জন্য বড় সতর্কবার্তা
এআই-চালিত সাইবার হানার বিরুদ্ধে দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামো আরও পোক্ত করতে নামল কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। মন্ত্রী জিতিন প্রসাদা জানিয়েছেন, এআই প্রযুক্তি এখন অটোমেটেড রেকনেসান্স, দ্রুত ভালনারেবিলিটি এক্সপ্লয়টেশন, ক্রেডেনশিয়াল চুরি আর বহুভাষিক সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হানাকে অনেক সহজ ও সস্তা করে দিয়েছে — অর্থাৎ ফিশিং আর ব্র্যান্ড ইম্পারসোনেশনের মতো ঘটনা এবার আরও চটজলদি আর বিশ্বাসযোগ্য চেহারায় হাজির হতে পারে।
Disclaimer: Images made with AI.
CERT-In ইতিমধ্যে এআই-চালিত সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস সিস্টেম বসিয়েছে, যা ভুয়ো ডোমেন আর ফিশিং কার্যকলাপ চিহ্নিত করতে সাহায্য করছে। পাশাপাশি পাবলিক-ফেসিং ডিজিটাল অ্যাসেটগুলোর এআই-নির্ভর ভালনারেবিলিটি অ্যাসেসমেন্টও চলছে স্যান্ডবক্স পরিবেশে। জুন-জুলাই মাসে “ফ্রন্টিয়ার এআই-চালিত সাইবার থ্রেট”-এর ওপর দশটি বিশেষ মহড়া হয়েছে, যেখানে পাওয়ার, টেলিকম, ব্যাঙ্কিং-ফিনান্স, ট্রান্সপোর্ট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্পেস সেক্টরের ৩৪৫টি সংস্থা থেকে ১,৪৭০ জন অংশ নিয়েছেন।
এই খবরটা ব্র্যান্ড ম্যানেজার আর মার্কেটারদের কাছে একদম হেলাফেলার নয়। যেভাবে এআই দিয়ে ভুয়ো ওয়েবসাইট, নকল কাস্টমার-কেয়ার নম্বর বা ব্র্যান্ডের নামে ফিশিং মেসেজ বানানো সহজ হয়ে যাচ্ছে, তাতে কনজিউমার-ফেসিং কোম্পানিগুলোর ডিজিটাল ব্র্যান্ড রেপুটেশন সরাসরি ঝুঁকির মুখে। মন্ত্রকের কথায়, “সরকার একটা খোলা, নিরাপদ, বিশ্বাসযোগ্য সাইবারস্পেস নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।” মার্কেটিং টিমগুলোর জন্য এখন সময় এসেছে ডোমেন মনিটরিং, ব্র্যান্ড-প্রোটেকশন টুল আর কাস্টমার-অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেন নিয়ে আরও সতর্ক হওয়ার।










