ডাও কেমিক্যালের নতুন সিইও কারেন কার্টার: ব্র্যান্ড লিডারশিপের নতুন উদাহরণ

আমেরিকার প্রায় ১৩০ বছরের পুরনো কেমিক্যাল কোম্পানি ডাও-এর নতুন সিইও হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কারেন এস. কার্টার, গত ১লা জুলাই থেকে। ফরচুন ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের প্রথম মাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছেন — আর সেই বক্তব্যেই লুকিয়ে আছে ব্র্যান্ড ম্যানেজার আর মার্কেটারদের জন্য বেশ কিছু শেখার বিষয়।

ডাও কেমিক্যালের নতুন সিইও কারেন কার্টার: ব্র্যান্ড লিডারশিপের নতুন উদাহরণ

Disclaimer: Images made with AI.

  • কার্টার হলেন ফরচুন ৫০০-র মধ্যে তিনজন ব্ল্যাক নারী সিইও-র একজন, এবং ডাও-এর ইতিহাসে প্রথম নারী ও প্রথম ব্ল্যাক ব্যক্তি যিনি এই পদে বসলেন। তিনি এবছর ফরচুনের ‘মোস্ট পাওয়ারফুল উইমেন’ তালিকায় ৮৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। কিন্তু চ্যালেঞ্জ কম নয় — কোম্পানি এখন আর্থিক ক্ষতি, বড়সড় পুনর্গঠন, হাজার হাজার কর্মী ছাঁটাই আর ইউরোপের কিছু প্ল্যান্ট বন্ধ করার মতো কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

    তা সত্ত্বেও কার্টারের বক্তব্য বেশ পজিটিভ। তাঁর কথায়, “যা তুমি চেয়েছ আর যার জন্য প্রার্থনা করেছ, সেটার জন্য স্ট্রেসড হওয়াটাই আসলে একটা আশীর্বাদ” — এই লাইনটাই এখন কর্পোরেট লিডারশিপ সার্কেলে বেশ চর্চিত হচ্ছে।

    মার্কেটার আর ব্র্যান্ড ম্যানেজারদের জন্য এই গল্পের আসল শিক্ষা হল — সংকটকালীন সময়ে সিইও-র ব্যক্তিগত ভয়েস কীভাবে কোম্পানির ব্র্যান্ড ন্যারেটিভকে শক্তিশালী করতে পারে। কার্টার শুধু আর্থিক ফলাফল নিয়েই কথা বলেননি, ডাও-এর ইথিলিন-পলিইথিলিন ব্যবসা থেকে শুরু করে ডেটা সেন্টার কুলিং, এমনকি GLP-1 ওষুধের চাহিদা বাড়ায় ডাও-এর ল্যাক্সেটিভ উপাদান উৎপাদন নিয়েও খোলাখুলি কথা বলেছেন — যা একধরনের অথেনটিক, স্বচ্ছ কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটেজির উদাহরণ।

    এই ধরনের ‘লিডার-অ্যাজ-ব্র্যান্ড’ অ্যাপ্রোচ আজকের কর্পোরেট কমিউনিকেশনে ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যখন কোম্পানি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।