টেক জায়েন্টস ও এ আই (Tech Giants & AI)

মাইক্রোডাক রোবট: ক্রিসমাসের সেরা খেলনা, ২০ হাজার প্রি-অর্ডার

এনভিডিয়ার সিইও জেনসেন হুয়াং মঞ্চে ছোট ছোট হাঁসের মতো রোবট নিয়ে খেলছেন। এই ভিডিও এ সপ্তাহে ইন্টারনেটে ভাইরাল। এই মাইক্রোডাক রোবট নিয়ে মাতামাতি এতটাই যে ভিডিওর পরদিনই প্রি-অর্ডার ২০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

চটজলদি জেনে নিন

  • এনভিডিয়ার জিটিসি বার্লিনে হুয়াংয়ের মাইক্রোডাক রোবট নিয়ে মাতামাতি।
  • একদিনেই ২০ হাজার প্রি-অর্ডার, ক্রিসমাসের আগেই হাতে পৌঁছাবে।
  • পোলেন রোবোটিকস নির্মিত, হাগিং ফেস ও এনভিডিয়ার মালিকানায় থাকা ওপেন-সোর্স রোবট।
  • সাইবার হামলার দুঃসংবাদের মধ্যে এআই শিল্পে স্বস্তির খবর মাইক্রোডাক।

জিটিসি বার্লিনে কী ঘটেছিল?

এনভিডিয়ার জিটিসি বার্লিন সম্মেলনের কিনোটে (প্রধান বক্তৃতায়) হুয়াং একদল মাইক্রোডাকের সঙ্গে খেলেন। ছোট্ট রোবটগুলো ধুপধাপ পা ফেলে হাঁটে আর আর২-ডি২-র মতো টুকটাক আওয়াজ করে। তারা বসে, “ঘুমানোর” জন্য ধপ করে পড়ে যায়, আবার মুখের কথায় ডিগবাজিও খায়।

এক দিনেই ২০ হাজার প্রি-অর্ডার

হাগিং ফেসের ক্লেম ডেলাঙ্গ এক্স-এ জানিয়েছেন, মাইক্রোডাক রোবটের প্রি-অর্ডার ভিডিওর পরদিনই ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। ক্রিসমাসের আগেই রোবটগুলো ক্রেতাদের হাতে পৌঁছানোর কথা। তাই এটি এ বছরের ক্রিসমাসের খেলনার তালিকায় সবার ওপরে উঠে যেতে পারে।

ডেলাঙ্গের ধারণা, এটি বছরের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া রোবটও হতে পারে। ক্রেতা যে শুধু শিশুরাই হবে, তা-ও নয়। প্রচারের ভিডিওতে বড়দেরও এগুলো নিয়ে খেলতে দেখা যায়।

মাইক্রোডাক রোবট কারা বানাচ্ছে?

  • বানিয়েছে পোলেন রোবোটিকস। ২০২৫ সালে কোম্পানিটি কিনে নেয় হাগিং ফেস।
  • সেপ্টেম্বরে হাগিং ফেসকে কিনেছে এনভিডিয়া। তাই মাইক্রোডাক এখন এনভিডিয়ার পরিবারেরই অংশ।
  • এটি ওপেন-সোর্স, অর্থাৎ এর ডিজাইন ও সফটওয়্যার সবার জন্য খোলা।
  • হাগিং ফেসের দ্বিতীয় রোবট এটি। আগে এসেছিল রিচি মিনি।

রোবট শেখে কীভাবে?

এনভিডিয়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার সিমুলেশনে (ভার্চুয়াল জগতে) মাইক্রোডাক রোবটকে হাঁটা, বসা ও দাঁড়ানোর মতো প্রাথমিক কৌশল শেখানো হয়েছে। এগুলো শিখেই রোবট বাজারে আসবে। পোলেন জানিয়েছে, মালিকেরা নিজেরাও নতুন কৌশল শেখাতে পারবেন এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারবেন।

এআইয়ের খারাপ সপ্তাহে একটু স্বস্তি

 

এ সপ্তাহে একের পর এক সাইবার হামলার দায় এআইয়ের ওপর পড়ায় শিল্পটি চাপে ছিল। টেকক্রাঞ্চের জুলি বর্টের মতে, এই ভিডিও সেই চাপের মাঝে এক পশলা স্বস্তি। এআই ক্ষতি করতে পারে, তবে মজাও দিতে পারে। মাইক্রোডাক রোবট তারই প্রমাণ।

বিজ্ঞাপন

সব বিভাগের সর্বশেষ