ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস: ডিপফেক ও প্রতারণা রুখতে মোদীর ডাক
৮ অক্টোবর নয়াদিল্লির যশোভূমিতে শুরু হলো ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের ১০ম আসর। উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট বললেন, ডিপফেক আর সাইবার জালিয়াতি এখন একা কোনো দেশের সমস্যা নয়। তাই চাই বিশ্বজোড়া সমাধান।
ফোনের নিরাপত্তা আর নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা, এটা আমাদের সবার অগ্রাধিকার।
নরেন্দ্র মোদী, প্রধানমন্ত্রী
চটজলদি জেনে নিন
- ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের মঞ্চে নিরাপত্তার ডাক মোদীর কথায়, ফোনের নিরাপত্তা আর নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা সবার অগ্রাধিকার।
- ডিপফেক এখন বড় চ্যালেঞ্জ, তাই এর বিরুদ্ধে একটি গ্লোবাল ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কাজ করা জরুরি।
- এআই দিয়ে বানানো নকল ভিডিও বা অডিও, যা দেখলে-শুনলে আসল বলেই মনে হয়।
- আর গ্লোবাল ফ্রেমওয়ার্ক মানে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার মানার মতো একটি সাধারণ কাঠামো।

ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের মঞ্চে নিরাপত্তার ডাক
মোদীর কথায়, ফোনের নিরাপত্তা আর নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা সবার অগ্রাধিকার। ডিপফেক এখন বড় চ্যালেঞ্জ, তাই এর বিরুদ্ধে একটি গ্লোবাল ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে কাজ করা জরুরি।
ডিপফেক কী? এআই দিয়ে বানানো নকল ভিডিও বা অডিও, যা দেখলে-শুনলে আসল বলেই মনে হয়। আর গ্লোবাল ফ্রেমওয়ার্ক মানে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার মানার মতো একটি সাধারণ কাঠামো।
তিনি বলেন, সরকার, প্রযুক্তি সংস্থা, টেলিকম অপারেটর ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। টেলিকম শিল্পের আন্তর্জাতিক সংগঠন GSMA-কে তিনি এমন ব্যবস্থা গড়তে বললেন, যাতে প্রতারণা ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছনোর আগেই আটকে যায়।
সাধারণ মানুষের কী দরকার
প্রধানমন্ত্রীর মতে, নাগরিকের আস্থাই সবচেয়ে বড় কথা। তাঁর দরকার:
- কে ফোন করছেন, তাঁর আসল পরিচয় জানা
- মেসেজ আসল কি না, যাচাই করতে পারা
- পেমেন্ট বা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার সময় নিরাপদ বোধ করা
সংখ্যায় ডিজিটাল ইন্ডিয়া
ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের ভাষণে তিনি কিছু হিসাব তুলে ধরেন:
- ৫.৫ লাখের বেশি বেস স্টেশন থেকে ৫জি এখন দেশের প্রতিটি জেলায়
- মোবাইলের মাধ্যমে ৫০ লাখ কোটি টাকার বেশি সরাসরি সুবিধাভোগীদের কাছে গেছে; ৫ লাখ কোটি টাকা দুর্নীতির হাতে যাওয়া থেকে বেঁচেছে
- শুধু পিএম কিষাণ সম্মান নিধিতেই ৪ লাখ কোটি টাকার বেশি
- ৫০ কোটির বেশি মানুষ গেমিংয়ে যুক্ত, বেশিরভাগ তরুণ, ছোট শহরের (টিয়ার-২, টিয়ার-৩)
- সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন পাঁচটি জায়গায় চালু
ফোন এখন শুধু কথা বলার যন্ত্র নয়
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১০-১২ বছরে মোবাইল ফোন সুশাসনেরও হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। এক দশক আগে ডিজিটাল বিভাজন ছিল বড় সমস্যা, মানে প্রযুক্তির সুবিধা পেত কেবল সামর্থ্যবানরা। ডিজিটাল ইন্ডিয়া সেই ছবি বদলাতে ফোনকে কেন্দ্রে এনেছে। আজ ফোন একই সঙ্গে গেমিং কনসোল আর নির্মাণের স্টুডিও।
তাঁর লক্ষ্য, ভারত শুধু ক্রেতা নয়, নির্মাতা। প্রোডাক্ট ও ডিজাইন হবে ভারতে, প্রযুক্তি ও বৌদ্ধিক সম্পদ (আইপি) থাকবে ভারতের হাতেই।
দশকের হাতে আর চার বছর। তাই ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসের আলোচনাই ভারতসহ বিশ্বের মোবাইল বাজারের রোডম্যাপ ঠিক করবে, বলেন মোদী।











