ভারতের মহাকাশ খাতে বড় বদল: রকেট বানাবে বেসরকারি সংস্থা, ইসরো মূলত গবেষণায়
ভারতের মহাকাশ খাত এখন নতুন এক মোড়ে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রকেট আর রুটিন স্যাটেলাইট বানানোর কাজ ধীরে ধীরে বেসরকারি সংস্থার হাতে যাচ্ছে। ইসরো নজর দেবে গবেষণা আর বড় মিশনে।
ভারতে মহাকাশ খাতের স্টার্টআপগুলোর বিকাশই বিপ্লব ডেকে আনবে।
ডঃ পবন গোয়েঙ্কা, চেয়ারম্যান, IN-SPACe
চটজলদি জেনে নিন
- ঠিক কী বদলাচ্ছে?
- এতদিন রকেট বানানো থেকে ছোড়া, প্রায় সবই সামলাত ইসরো।
- এবার সেই ছক পাল্টাচ্ছে।
- IN-SPACe হলো বেসরকারি মহাকাশ উদ্যোগকে অনুমোদন আর সহায়তা দেওয়ার সরকারি সংস্থা।

ঠিক কী বদলাচ্ছে?
এতদিন রকেট বানানো থেকে ছোড়া, প্রায় সবই সামলাত ইসরো। এবার সেই ছক পাল্টাচ্ছে।
IN-SPACe হলো বেসরকারি মহাকাশ উদ্যোগকে অনুমোদন আর সহায়তা দেওয়ার সরকারি সংস্থা। সংস্থাটির চেয়ারম্যান পবন গোয়েঙ্কা জানিয়েছেন, রকেট নির্মাণ ক্রমশ বেসরকারি কোম্পানি আর সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো (PSU) সামলাবে।
- SSLV (ছোট স্যাটেলাইট ছোড়ার ছোট রকেট)-এর প্রযুক্তি আগেই বেসরকারি খাতে গেছে।
- PSLV, SSLV ও LVM3 রকেটের রুটিন উৎপাদনও সেদিকেই যাচ্ছে।
- একটি নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র চালানোর দায়িত্বও বেসরকারি শিল্পকে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।
তাহলে ইসরো কী করবে?
সহজ উপমা দিই। ইসরো হবে ল্যাবরেটরি, আর বেসরকারি সংস্থা হবে কারখানা। ল্যাবে নতুন প্রযুক্তি তৈরি ও পরীক্ষা হবে। প্রযুক্তি পাকা হলে কারখানা তার গণউৎপাদন করবে।
ফলে মহাকাশ গবেষণা, উন্নত প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক মিশন আর মহাকাশ পরিকাঠামোয় ইসরো পুরো মনোযোগ দিতে পারবে।
বেসরকারিকরণ নয়, বলছে ইসরো
এই খবরে ইসরোর কর্মীদের মধ্যে চাকরি হারানোর ভয় দেখা দিয়েছিল। তারপর ইসরো স্পষ্ট করেছে, সংস্থাটিকে বেসরকারি করা হচ্ছে না। বাণিজ্যিক কাজ শিল্প সামলাবে, আর ইসরো ফোকাস করবে উন্নত গবেষণা ও গ্রহান্তর অভিযানে।
কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
ভারত ২০৩৩ সালের মধ্যে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের মহাকাশ অর্থনীতি গড়তে চায়।
বেসরকারি সংস্থা উৎপাদনের ভার নিলে ভারতের মহাকাশ খাত দ্রুত বাড়ার সুযোগ পাবে। ইসরোও তখন আরও উচ্চাকাঙ্ক্ষী মিশনে সময় দিতে পারবে।
সব মিলিয়ে, ভারতের মহাকাশ খাত ভেঙে পড়ছে না, বরং কাজ ভাগ করে নিচ্ছে। এক পক্ষ বানাবে, অন্য পক্ষ নতুন পথ খুঁজবে।











