Uncategorized

মাইক্রোম্যাক্স ফ্যামিলি অফিস: ₹250 কোটির বিনিয়োগ ডিপটেক স্টার্টআপে

মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক হিসেবে পরিচিত মাইক্রোম্যাক্স এবার বিনিয়োগের দুনিয়ায় বড় পা রাখল। সংস্থাটি ₹250 কোটি টাকার একটি মাইক্রোম্যাক্স ফ্যামিলি অফিস চালু করেছে, যার মূল লক্ষ্য ভারত ও বিদেশের ডিপটেক স্টার্টআপে বিনিয়োগ করা।

উদ্যোক্তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও উদ্ভাবনী চিন্তা এখন যতটা শক্তিশালী, ততটা আগে কখনও ছিল না — কিন্তু গ্লোবালি প্রতিযোগিতামূলক ডিপ-টেক কোম্পানি গড়তে গেলে শুধু পুঁজির চেয়ে আরও অনেক কিছু দরকার।

রাহুল শর্মা, কো-ফাউন্ডার, মাইক্রোম্যাক্স ইনফরমেটিক্স

চটজলদি জেনে নিন

  • ডিপটেক স্টার্টআপ আসলে কী?
  • সহজ কথায়, ডিপটেক স্টার্টআপ হল সেইসব সংস্থা যারা কঠিন বৈজ্ঞানিক বা ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার সমাধানে গভীর গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তি তৈরি করে।
  • এতে জড়িয়ে থাকে জটিল প্রযুক্তি ও নিজস্ব মেধাসম্পত্তি (IP), যা সহজে নকল করা যায় না।
  • মাইক্রোম্যাক্স ফ্যামিলি অফিস যে পাঁচটি সেক্টরে ফোকাস করবে: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সেমিকন্ডাক্টর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি (Defence Tech) মহাকা…

ডিপটেক স্টার্টআপ আসলে কী?

সহজ কথায়, ডিপটেক স্টার্টআপ হল সেইসব সংস্থা যারা কঠিন বৈজ্ঞানিক বা ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার সমাধানে গভীর গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তি তৈরি করে। এতে জড়িয়ে থাকে জটিল প্রযুক্তি ও নিজস্ব মেধাসম্পত্তি (IP), যা সহজে নকল করা যায় না।

মাইক্রোম্যাক্স ফ্যামিলি অফিস যে পাঁচটি সেক্টরে ফোকাস করবে:

  • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)
  • সেমিকন্ডাক্টর
  • প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি (Defence Tech)
  • মহাকাশ প্রযুক্তি (Space Tech)
  • রোবোটিক্স

কোন পর্যায়ের স্টার্টআপে টাকা ঢালবে?

কোম্পানি মূলত প্রি-সিরিজ A থেকে সিরিজ B পর্যায়ের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করবে। ইতিমধ্যে মাইক্রোম্যাক্স কিছু কোম্পানিতে টাকা ঢালাও শুরু করে দিয়েছে, যারা জটিল ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যা সমাধান করছে এবং বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রাখে।

মাইক্রোম্যাক্স ইনফরমেটিক্সের ইনভেস্টমেন্ট হেড আকিল গর্গ বলেছেন:

“আমরা গড়ে ₹10-20 কোটি টাকার প্রাথমিক টিকিট সাইজ দেখছি, ভারতীয় এবং বিদেশি — দুই ধরনের স্টার্টআপকেই সাপোর্ট করার নমনীয়তা রেখে, যেখানে আমরা শক্তিশালী প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সম্ভাবনা দেখতে পাই।”

শুধু টাকা নয়, বাড়তি সাপোর্টও মিলবে

এখানেই ডিপটেক স্টার্টআপ বিনিয়োগের গল্পটা আলাদা। মাইক্রোম্যাক্স জানিয়েছে, পোর্টফোলিও কোম্পানিগুলো তাদের গোটা ইকোসিস্টেমের সুবিধা পাবে — শুধু ফান্ডিং নয়, বরং প্রোডাক্ট তৈরি থেকে বাজারে আনা পর্যন্ত পুরো যাত্রায় সহায়তা।

  • MiPhi Semiconductors (মাইক্রোম্যাক্স ও তাইওয়ানের ফিসন ইলেকট্রনিক্সের যৌথ উদ্যোগ) স্টার্টআপগুলোকে সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক ও গ্লোবাল পার্টনারশিপের সুযোগ দেবে।
  • ভগবতী প্রোডাক্টস-এর ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষমতা স্টার্টআপগুলোকে সাপ্লাই চেইন ও উৎপাদন সংক্রান্ত সহায়তা দেবে।

মাইক্রোম্যাক্স ইনফরমেটিক্সের কো-ফাউন্ডার রাহুল শর্মা বলেছেন:

“উদ্যোক্তাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও উদ্ভাবনী চিন্তা এখন যতটা শক্তিশালী, ততটা আগে কখনও ছিল না — কিন্তু গ্লোবালি প্রতিযোগিতামূলক ডিপ-টেক কোম্পানি গড়তে গেলে শুধু পুঁজির চেয়ে আরও অনেক কিছু দরকার।”

শেষ কথা

সব মিলিয়ে, মাইক্রোম্যাক্স ফ্যামিলি অফিস শুধু একটা ফান্ডিং প্রোগ্রাম নয় — এটা ভারতীয় ডিপটেক স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে ম্যানুফ্যাকচারিং, সাপ্লাই চেইন ও গ্লোবাল পার্টনারশিপের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার একটা চেষ্টা। কমার্শিয়ালাইজেশন, মার্কেট অ্যাক্সেস এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণেও কোম্পানিটি সাহায্য করবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সব বিভাগের সর্বশেষ